নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি কার্গো জাহাজ জব্দ করায় এর তীব্র নিন্দা জানাতে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান। তেহরান এই ঘটনাকে জলদস্যুতা এবং দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত রোববার জানান, ওমান সাগরে মার্কিন নৌবাহিনী গুলি চালিয়ে ‘তুস্কা’ নামের একটি ইরানি কার্গো জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
ট্রাম্প জানান, ইরানি পতাকাবাহী ওই জাহাজটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও মহাসচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে লিখেছেন, ‘এই ধরনের আচরণ মূলত জলদস্যুতা। এটি একটি বিপজ্জনক উসকানি, যা গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই বেআইনি পদক্ষেপ গত ৮ এপ্রিল স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুস্পষ্ট ও সরাসরি লঙ্ঘন। জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী এটি একটি আগ্রাসনমূলক কাজ।’
ইরাভানি অবিলম্বে এই ঘটনার নিন্দা জানাতে এবং জব্দ করা জাহাজটি দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানানোর জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানান।
এদিকে, মঙ্গলবার নিজের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লিখেছেন যে, তিনি ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াচ্ছেন। তবে দেশটির বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধ আগের মতোই বহাল থাকবে।’
এর আগে রোববার ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, থামার সংকেত অমান্য করায় তুস্কা জাহাজটি জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানি ক্রুরা কথা শোনেনি। তাই আমাদের নৌবাহিনী জাহাজটির ইঞ্জিন রুমে গোলা ছুড়ে সেটির গতি থামিয়ে দেয়।’